Thursday, March 22, 2018

বাংলাদেশের ফুটবলে কোচিং করিয়ে ৫০ লাখ!

দেশের ক্লাবগুলো এখন কোচদের ভালোই পারিশ্রমিক দিচ্ছে।
এই অঙ্কটা ইতিমধ্যেই ৪০ লাখ ছুঁয়েছে।
সামনের মৌসুমে অঙ্কটা ৫০ লাখ হয়ে যাবে।
দেশীয় কোচদের জন্য এটা দারুণ এক খবর।
বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে কোচ হওয়াটা একসময় ছিল আর্থিকভাবে সবচেয়ে অনিরাপদ চাকরি। গড়পড়তা অনেক খেলোয়াড়ের চেয়েও কোচের অর্থমূল্য ছিল অনেকটাই কম। চাকরিও ছিল অনিশ্চিত—এই আছে তো এই নেই। এমন অবস্থা ছিল ১০ বছর আগেও। সেই দৃশ্যটা বদলে গেছে হালে। বড় ক্লাবের কোচ হয়েই এখন মৌসুমে পাওয়া যায় মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক। নিয়োগ কিংবা ছাঁটাই প্রক্রিয়াতেও এসেছে পেশাদারি। বাজারে জোর গুঞ্জন শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্রের কোচ হিসেবে এই মৌসুমে নাকি ৫০ লাখ টাকায় চুক্তিবদ্ধ হচ্ছেন জাতীয় দলের সাবেক তারকা সাইফুল বারি টিটু।
বেশ কয়েক বছর ধরে ভালো দল গঠন করলেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পাচ্ছে না শেখ রাসেল। তাই নতুন মৌসুমে কোচ বদল করেছে তারা। শফিকুল ইসলাম মানিকের জায়গায় নেওয়া হয়েছে টিটুকে। শেখ রাসেলের কোচ হওয়ার কথা নিজেই জানালেন, ‘মৌখিকভাবে কথাবার্তা চূড়ান্ত। শেখ রাসেলের হয়ে আগামী মৌসুমে ডাগ আউটে থাকব—এটা নিশ্চিত।’
টাকার অঙ্কটা সরাসরি না বললেও আগের চেয়ে বেশিই পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। শেষ মৌসুমে চট্টগ্রাম আবাহনীর হয়ে পেয়েছিলেন ৪০ লাখ টাকা। বিশ্বস্ত সূত্রের মতে, নতুন মৌসুমে টাকার অঙ্কটা ৫০ লাখ ছুঁয়ে যাবে।
বর্তমানে টিটু আবাহনী লিমিটেডের কোচ হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করছেন। এএফসি কাপ উপলক্ষে গত মাসেই যোগ দিয়েছেন আবাহনীতে। আগামী মে মাসে চুক্তি শেষ হলে শেখ রাসেলের হয়ে নতুন মৌসুমের জন্য মাঠে নামবেন। এর আগে মোহামেডান, শেখ জামাল ও আরামবাগের দায়িত্ব পালন করেছিলেন দেশের অন্যতম সেরা এ কোচ। জাতীয় দলের কোচের দায়িত্বেও ছিলেন বিভিন্ন সময়।
আশির দশকে ধানমন্ডি ক্লাব (বর্তমানের শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব) দিয়ে ঢাকার ফুটবলে জায়গা শক্ত করে নিয়েছিলেন টিটু। পরে ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে যোগ দেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে। মোহামেডানে খেলেছেন একটানা ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত। জাতীয় দলেও এ সময়ের মধ্যেই জায়গা করে নেন। দেশের জার্সি গায়ে খেলেছেন ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত। ১৯৯৪ সালে যোগ দেন ‘বিদ্রোহী’ মুক্তিযোদ্ধায়। সেখানে খেলেন বেশ কয়েক বছর। ক্যারিয়ারের শেষ দিকে মোহামেডানে ফিরেছিলেন। ২০০১ সালে খেলোয়াড়ি জীবনকে বিদায় বলেন তিনি।
২০০৫ সালে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেন মোহামেডানের সহকারী কোচ হিসেবে। ২০০৭ সালে প্রথম জাতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেন। এএফসি ‘এ’ লাইসেন্সধারী কোচ টিটু সাবেক ফুটবলারদের কোচিং পেশায় আসার দারুণ এক উদাহরণই।

মরিনহোর দলের হয়ে ম্যারাডোনার বিপক্ষে বোল্ট




েসির সঙ্গে নিজের মিল খুঁজে পান বোল্ট।
তবে জ্যামাইকান এ স্প্রিন্টার রোনালদোর ভক্ত।
সুইজারল্যান্ডে প্রীতি ম্যাচ খেললেন এ স্প্রিন্ট কিংবদন্তি।
তিনি স্প্রিন্টের শেষ কথা। ভালোবাসেন ফুটবল খেলাও। গত বছর স্প্রিন্ট থেকে অবসর নেওয়ার পর তাই অনেকবারই বলেছেন, এবার ফুটবলে নেমে পড়বেন। গতকাল মাঠেও নেমেছিলেন, খেললেন ডিয়েগো ম্যারাডোনার বিপক্ষে! তিনি উসাইন বোল্ট। ৮টি অলিম্পিক ও ১১টি বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন সোনার পদকজয়ী।

বাসেলের প্রীতি ম্যাচে প্রতি দলে ছিলেন পাঁচজন করে খেলোয়াড়। হোসে মরিনহো ও ম্যারাডোনা ছিলেন দুই দলের কোচ। বোল্ট খেলেছেন মরিনহোর অধীনে। মার্সেল দেশাই, প্যাট্রিক ক্লুইভার্টের মতো সাবেক ফুটবলারেরাও ছিলেন বোল্টের দলে। ম্যারাডোনার দলে ছিলেন রবার্তো কার্লোস, হারনান ক্রেসপো, ডেভিড ত্রেজেগের মতো সাবেকেরা। ম্যাচটি ১১-১১ গোলে ড্র হয়।

এ প্রীতি ম্যাচ দিয়েই রাশিয়া বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক ক্ষণগণনা শুরু করল ফিফা। বোল্ট এখানে সংবাদমাধ্যমকে জানান, তিনি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ‘বিশাল ভক্ত’। তবে তাঁর সঙ্গে লিওনেল মেসির মিলটাই বেশি।

রোনালদো এই ছাঁট কেন দিয়েছিলেন জানেন?

২০০২ বিশ্বকাপে বিচিত্র এক চুলের ছাঁট নিয়ে হাজির হয়েছিলেন রোনালদো।
ওই আসরে ৮ গোল করে ছিলেন দুর্দান্ত ফর্মে।
বিশ্বকাপের আগে তাঁর চোট নিয়ে অনেক লেখালেখি হচ্ছিল পত্রপত্রিকায়।
চুলের এক ছাঁটে পুরো বিশ্ব মাত! ২০০২ বিশ্বকাপ বললেই তো অন্য অনেক কিছু ফেলে রোনালদোর ওই ছাঁটের কথা মনে পড়বে। পুরো মাথা কামানো, শুধু সামনে কিছু অংশে চুল। যে ছাঁট বিশ্বজুড়ে তাঁর কত শতসহস্র ভক্ত যে নকল করেছেন, হিসাব নেই।

ব্রাজিলকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন, ফাইনালে ২ গোলসহ টুর্নামেন্টে মোট ৮ গোল করেছেন। এসবের পাশাপাশি রোনালদোর ওই চুলের ছাঁটও ছিল সমান আলোচিত। কিন্তু কেন সেই চুলের ছাঁট, সেটি নতুন করে জানালেন ব্রাজিল কিংবদন্তি। সংবাদমাধ্যমকে বিভ্রান্ত করতে!

দক্ষিণ কোরিয়া-জাপানের ওই বিশ্বকাপের আগে রোনালদোর চোট নিয়েই যত কথা। সেটি থেকে সংবাদমাধ্যমের চোখ অন্যদিকে নিতেই এই ছাঁট। গত পরশু মেলবোর্নে এক অনুষ্ঠানে সেটিই জানিয়েছেন, ‘আমার পায়ে একটা চোট ছিল। সবাই সেটি নিয়েই কথা বলছিল। তখন আমি সিদ্ধান্ত নিলাম চুল কাটার, আর সামনে ওই অংশটুকু ফেলে রাখার। এরপর অনুশীলনে এলাম। সবাই আমাকে ওই ছাঁটে দেখল।’ তাতে সুবিধা কী হলো, সেটিও জানালেন, ‘সবাই তখন আমার চুল নিয়েই কথা বলা শুরু করল। চোটের কথা গেল ভুলে। আমিও তাতে অনুশীলনে আরও শান্ত, নির্ভার ও মনোযোগী হওয়ার সুযোগ পেলাম।’

তা যে চুল নিয়ে এত মাতামাতি, সেটি রোনালদোর নিজের কেমন লেগেছে? ‘আমি মোটেও ওই চুল নিয়ে গর্বিত নই। কারণ, এটা অদ্ভুত একটা ছাঁট ছিল। কিন্তু তাতে মানুষের নজর তো অন্যদিকে সরানো গেছে’—ব্রাজিল কিংবদন্তির উত্তর।

চুলের ছাঁট হোক বা অন্য কিছু—সেবার দুর্দান্ত রোনালদোর সৌজন্যেই বিশ্বকাপ ঘরে তুলেছে ব্রাজিল। দেশটির পঞ্চম বিশ্বকাপ, সর্বশেষও। আরেকটি বিশ্বকাপ যখন সামনে, রোনালদোকে এবারের ব্রাজিলের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন তো হবেই। হলোও। সম্ভাবনার দৌড়ে ব্রাজিলের পাশে অনুমিত কিছু নামই রেখেছেন রোনালদো, ‘বেশ কয়েকটা দল আছে, যারা ফাইনাল বা এর কাছাকাছি যাবে। জার্মানি, স্পেন, ফ্রান্স...। দেখা যাক কী হয়। আশা করি, ব্রাজিল আবারও জিততে পারবে।’

রোনালদোর সে স্বপ্নের ভিত্তি? তিতে আসার পর গত দুই বছরে ব্রাজিলের ফর্ম। ‘ব্রাজিল জাতীয় দলকে নিয়ে আমি খুব আশাবাদী। গত দুই বছরে আমরা অনেক বদলেছি। নতুন কোচের অধীনে অনেক উন্নতি করেছি’—রোনালদোর কথার সঙ্গে সম্ভবত একমত হবেন প্রত্যেক ব্রাজিলিয়ানই। স্বপ্ন যে এক, তা কি আর বলে দিতে হয়!

ব্রাজিলকে সুখবর দিলেন নেইমার


জীবনের অন্য কোনো অংশই থেমে নেই তাঁর। ঘুরে বেড়াচ্ছেন, নৈশক্লাবে বোনের জন্মদিনের উৎসবেও যাচ্ছেন। তবে তাতেও কি নেইমারকে ঘিরে বড় প্রশ্নটার উত্তর মেলে! ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড চোট কাটিয়ে ফিরবেন কবে? বিশ্বকাপের আগে ঠিক সময়ে ফিরবেন তো?

এমন শঙ্কা যাঁদের মনে, ব্রাজিল জাতীয় দলের চিকিৎসক রদ্রিগো লাসমারের কথাটা তাঁদের কানে মধু ঢালবে নিশ্চিত। নেইমারের পায়ে অস্ত্রোপচারটা এই ভদ্রলোকই করেছিলেন। পিএসজির ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের পুনর্বাসনপ্রক্রিয়ারও খোঁজখবর নিয়মিত রাখছেন। তাঁর চিকিৎসক চোখই বলছে, নেইমার সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় সঠিক পথেই আছেন।

গত মাসে অলিম্পিক মার্শেইয়ের বিপক্ষে লিগের ম্যাচে পায়ে চোটটা পেয়েছিলেন নেইমার। প্রথমে যেটিকে সামান্য মোচড় মনে করা হচ্ছিল, পরে দেখা গেল সেটিই বড় ফাটল। অস্ত্রোপচারই করাতে হলো। শঙ্কাও তখন থেকেই। বিশ্বকাপের আর তিন মাসও বাকি নেই। এমন সময় অস্ত্রোপচার, সেটি থেকে সেরে ওঠা, ঠিক সময়ে খেলার মতো ফিটনেস নিয়ে ফেরা...পারবেন তো নেইমার?

ফ্রেঞ্চ দৈনিক লে’কিপ-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লাসমার বলছেন, পারবেন। ব্রাজিলে নেইমারের পুনর্বাসনপ্রক্রিয়া যে ফিজিওথেরাপিস্টরা দেখাশোনা করছেন, তাঁদের সঙ্গে ‘দিনে দু-তিনবার’ কথা হয়। নিজের অভিজ্ঞতা আর খোঁজখবরে পাওয়া জ্ঞান থেকেই লাসমারের উপলব্ধি, ‘আমার কাছে এখন পর্যন্ত সবকিছু ঠিকভাবে চলছে বলেই মনে হচ্ছে। ওরা (ব্রাজিলের চিকিৎসকেরা) আমাকে নেইমারের সেরে ওঠার প্রক্রিয়ার সব খুঁটিনাটিই জানায়। ওরা খুব পেশাদারভাবেই করছে সবকিছু। কঠোর পরিশ্রমও করছে যাতে ও (নেইমার) যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরতে পারে। এটাও নিশ্চিত করছে যেন ওর পায়ে এই চোট থেকে আরও নতুন কোনো সমস্যা না হয়।’

তা সবকিছু ঠিকভাবে চলছে, সেটা ভালো খবর। কিন্তু ‘ভালো চলা’ তো আর ফেরার তারিখের নিশ্চয়তা নয়। ব্রাজিল ও নেইমার-ভক্তদের তো এখন সবচেয়ে বেশি জানার দরকার সেটিই। কত দিন লাগতে পারে, সেই প্রশ্নে অবশ্য লাসমার এখনই কিছু বলতে পারছেন না, ‘যেটা নিশ্চিত করে বলা যায়, সেটি হলো নেইমার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ফিরতে মরিয়া। তবে অস্ত্রোপচারের পর সেরে ওঠার অবস্থা পর্যালোচনার জন্য আমরা ছয় সপ্তাহের সময় বেঁধে দিয়েছিলাম। সেখান থেকে আমরা আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করব। সেই সময় পর্যন্ত (ছয় সপ্তাহ) চোটের অবস্থা কী দাঁড়ায়, সেটি দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে আমাদের। তারপর আমরা পরবর্তী ধাপটা কী হবে, সেটি ঠিক করব। ও কবে ফিরতে পারবে, সেটির একটা তারিখও দিতে পারব।’

লাসমারের কাছ থেকেই জানা গেল অস্ত্রোপচার লাগবে শুনে নেইমারের অনুভূতির কথা। স্বাভাবিকভাবেই খুশি হওয়ার কথা নয় পিএসজির ব্রাজিল ফরোয়ার্ডের। কতটা কষ্ট পাচ্ছিলেন নেইমার, সেটিই বলছিলেন লাসমার, ‘চোটের গভীরতার কথা শুনে, অস্ত্রোপচার লাগবে শুনে ও অনেক কষ্ট পেয়েছে। বিশ্বকাপের মতো একটা আয়োজনের ঠিক আগে এসে এমন চোট সব সময়ই ভয়ংকর। প্রথম দিকে সে খুবই বিরক্ত হয়ে গিয়েছিল। তবে ওর খারাপ সময় কাটিয়ে ওঠার সামর্থ্য আর মানসিক শক্তিই সেটা কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে।’

সেটি চোট কাটিয়ে উঠতেও সাহায্য করুক, ব্রাজিলের চাওয়া এটিই।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ম্যাচ কাল কখন?

ক্লাব ফুটবলে বিরতি, এর ফাঁকে আগামীকাল প্রায় সব বড় দলের প্রীতি ম্যাচ
ব্রাজিল খেলবে রাশিয়ার সঙ্গে, আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ ইতালি
চার দিন পর আবারও প্রীতি ম্যাচ খেলতে নামবে দলগুলো
বিশ্বকাপের আগে এটাই শেষ সুযোগ নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার। নামে প্রীতি ম্যাচ হলেও ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা তাই নিজেদের পরবর্তী দুই ম্যাচ নিয়েছে অনেক গুরুত্বের সঙ্গে। আগামীকাল মস্কোয় রাশিয়ার মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। আর আর্জেন্টিনা-ইতালি ম্যাচটি হবে ইংল্যান্ডে। কদিন পর এই দুই দল আরও একটি করে প্রীতি ম্যাচ খেলবে। ক্লাব ফুটবলের ফাঁকে জাতীয় দলের জন্য এটাই শেষ বিরতি সব দলের জন্য।
ব্রাজিলের জন্য বাড়তি সুযোগ হলো রাশিয়ার স্বাদ আগেই একটু চেখে নেওয়া। মস্কোর এই মাঠে হবে বিশ্বকাপের উদ্বোধন আর সমাপনী। ফাইনালের সেই ম্যাচটায় ব্রাজিল আবার ফিরতে চাইবে নিশ্চয়ই! রাশিয়া-ব্রাজিল ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায়। ব্রাজিলের পর ম্যাচ মঙ্গলবার দিবাগত রাতে। সেদিন প্রতিপক্ষ জার্মানি। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে একটায় শুরু।
কাল ইতালি-আর্জেন্টিনা ম্যাচটি হবে ম্যানচেস্টারে। বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ৪৫-এ শুরু হবে খেলা। মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় আর্জেন্টিনার ম্যাচ স্পেনের বিপক্ষে।
কাল ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার খেলাগুলো বাংলাদেশে দেখা যায় এমন কোনো টিভি চ্যানেলে সম্প্রচারিত হচ্ছে না। তবে জার্মানি বনাম স্পেন ম্যাচটি দেখা যাবে সনি টেন ২-এ। শুরু হবে রাত ১টা ৪৫ মিনিটে। আর ফ্রান্স-কলম্বিয়া ম্যাচটি দেখা যাবে সনি টেন ১, শুরু রাত ২টায়। আগামীকাল পর্তুগাল-মিসর প্রীতি ম্যাচ আছে। রোনালদো-ভক্তরাও উন্মুখ হয়ে থাকবেন ম্যাচটির জন্য। এটিও অবশ্য বাংলাদেশে দেখা যায় এমন টিভি চ্যানেলে সম্প্রচারিত হবে না। অনলাইনের ভিন্ন উৎসগুলো তাই হতে পারে খেলা দেখার ভরসা।

কালকের গুরুত্বপূর্ণ প্রীতি ম্যাচের সূচি দেখে নিন:

    
ম্যাচের সময়

উরুগুয়ে
বিকেল ৫টা ৩৫
চেক প্রজাতন্ত্র
রাশিয়া
রাত ১০টা
ব্রাজিল
হল্যান্ড
রাত ১২টা ৪৫
ইংল্যান্ড
ফ্রান্স
রাত ১টা
কলম্বিয়া
ইতালি
রাত ১টা ৪৫
আর্জেন্টিনা
জার্মানি
রাত ১টা ৪৫
স্পেন
পর্তুগাল
রাত ১টা ৪৫
মিসর

ভারতের ভিসা পেলেন না বাংলাদেশের দুই অধিনায়ক

ইন্ডিয়ান উইমেন্স লিগে তামিলনাড়ুর সিথু এফসির হয়ে জাতীয় দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের সঙ্গে খেলার কথা ছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ দলের অধিনায়ক কৃষ্ণা রানী সরকারেরও। সাবিনা ও কৃষ্ণার ভারতীয় লিগে খেলতে যাওয়া উপলক্ষে কয়েক দিন আগে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল বাফুফে ভবনে। ব্যক্তিগত লক্ষ্য ঠিক করে রেখেছিলেন দুজন—অনেক গোল করতে চান। কিন্তু যাওয়া হচ্ছে না কারও।

সাধারণত জাতীয় দলের অনুশীলনে সব সময় বেশ চনমনে দেখা যায় সাবিনাকে। কিন্তু আজ দেখা গেল উল্টো। মনমরা সাবিনাকে কারণ জিজ্ঞেস করতেই শোনা গেল দুঃসংবাদ, ‘দুঃসংবাদ। আমাদের ভারতে খেলা হচ্ছে না।’ কারণ? ভিসা জটিলতা।

প্রথম দফায় নাকি ১৪ তারিখে ভিসা পাওয়ার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু তাঁরা পাননি। আজ দ্বিতীয় দফায় পাওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাঁদের পাসপোর্টে ভারতের ভিসা পড়েনি। আজ পাসপোর্ট ফেরতও নিয়ে আসা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে তাই মন খারাপ তিনবার মালদ্বীপ লিগ মাতিয়ে আসা সাবিনার। ভিসা না পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন মহিলা দলের কোচ গোলাম রব্বানিও।

এ নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের মহিলা ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার বলেন, ‘ভিসা নিয়ে যে সমস্যাটা হয়েছে, ভারতীয় মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগবে। বিষয়টি যেহেতু আমাদের হাতে নেই, আমরা ওদের ক্লাবকে জানিয়েছি ব্যবস্থা নিতে। তারা ব্যবস্থা করতে পারলে সাবিনা ও কৃষ্ণা যাবে, না পারলে আর কিছু করার নেই।’

রোববার সাবিনাদের প্রথম ম্যাচ। বাংলাদেশে মহিলা লিগ হয় না। তাই প্রথমবারের মতো ভারতীয় লিগ খেলার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বসিত ছিলেন সাবিনা ও কৃষ্ণা। সে প্রস্তুতি নিয়ে এখন খেলতে না পারার হতাশা জুটল তাঁদের ভাগ্যে।