দুর্ঘটনায় নিহত আটজনের মধ্যে ছয়জনের পরিচয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তাঁরা হলেন কক্সবাজার সদরের পিএমখালীর ছনখোলা নয়াপাড়া এলাকার মো. জিসানের স্ত্রী তসলিমা আক্তার (২০), তাঁর মেয়ে সাদিয়া (২), তসলিমা আক্তারের মা হাসিনা মমতাজ (৪৫), চকরিয়ার উত্তর মেধাকচ্ছপিয়া এলাকার ভান্ডু মিয়ার ছেলে মো. নুরুল হুদা (২৫), চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার সিকদারপাড়া এলাকার মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে আফজাল হোসেন সোহেল (৩০) ও বাঁশখালীর শেখেরখীল এলাকার মো. সিদ্দিকের ছেলে মো. সায়েম (২২)।
Wednesday, March 27, 2019
Saturday, March 23, 2019
গত বছর ১৪ লাখ বাংলাদেশির ভারত ভ্রমণ
২০১৮ সালে সাড়ে ১৪ লাখ বাংলাদেশি নাগরিক ভারত ভ্রমণ করেছেন। ২০১৭ সালের চেয়ে এ সংখ্যা ২০ শতাংশ বেশি। চিকিৎসা, পর্যটন ও ব্যবসায়িক প্রয়োজনে এই বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশের নাগরিক দেশটি ভ্রমণ করেছেন। এই তথ্য প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রামে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিন্দ্য ব্যানার্জি।
গতকাল শনিবার সকালে নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের স্টলে পর্যটনবিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলমসহ চেম্বারের পরিচালকেরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘ভারত সব সময় আমাদের প্রকৃত ও বিশ্বস্ত বন্ধু রাষ্ট্র হয়ে সহযোগিতা করে আসছে। এ সহযোগিতার অংশ হিসেবে এবারের চট্টগ্রাম বাণিজ্য মেলায় ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের একটি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। আগামীবারের মেলায় ভারত পার্টনার কান্ট্রি হিসেবে অংশগ্রহণ করবে বলে আশা করেন তিনি।’অনিন্দ্য ব্যানার্জি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ফলে সাধারণ মানুষ বিদেশ ভ্রমণে আগ্রহী হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে কম খরচে ভ্রমণের জন্য ভারত আদর্শ গন্তব্য। ভারত ভ্রমণকে আরও সহজতর করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও নোয়াখালীতেও ভারতীয় ভিসা সেন্টার চালু করা হয়েছে।
অনুষ্ঠান শেষে সহকারী হাইকমিশনার মেলায় বিভিন্ন স্টল ও প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন।
এর আগে সকালে নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠের চট্টগ্রাম চেম্বারের অস্থায়ী কার্যালয়ে চেম্বার নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় চেম্বার সভাপতি ছাড়াও চেম্বারের সহসভাপতি সৈয়দ জামাল আহমেদ, পরিচালক কামাল মোস্তফা চৌধুরী, জহিরুল ইসলাম চৌধুরী, অঞ্জন শেখর দাশ, সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, ৫ মার্চ থেকে পলোগ্রাউন্ড মাঠে এই মেলা শুরু হয়। চেম্বার আয়োজিত মাসব্যাপী এই মেলায় সাড়ে চার শ দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। এবারের মেলায় পার্টনার কান্ট্রি হিসেবে রয়েছে থাইল্যান্ড। পাশাপাশি মেলায় নিজস্ব পণ্য নিয়ে অংশ নিয়েছে ভারত, ইরান ও কোরিয়া। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মেলা চলবে।
Friday, March 23, 2018
যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক চার লেন করার দাবি
যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক দুই লেন থেকে চার লেন করার দাবি জানানো হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে বেনাপোল পর্যটন মোটেলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়
সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় স্থানীয়
ব্যবসায়ীরা এই দাবি জানান।
সাংসদ রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিকের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধি দলের সদস্য সাংসদ এ কে এম এ আওয়াল, নাজমুল হক প্রধান, মনিরুল ইসলাম ও শেখ আফিল উদ্দিন।
মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ীরা বলেন, যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক দুই লেন থেকে চার বা ছয় লেনে উন্নতি করা এখন সময়ের দাবি। দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর বেনাপোলে। সিংহভাগ আমদানি-রপ্তানি হয় এ মহাসড়ক দিয়ে। সড়কের দুই পাশের গাছ কেটে হোক, আর না কেটে হোক সড়কটি ছয় লেনে প্রশস্ত করে পুনর্নির্মাণ কতে হবে। জাতীয় অর্থনৈতিক নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সড়কটি সম্প্রসারণ প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু এক শ্রেণির মানুষ গাছ না কাটার দাবি তুলেছে। যে কারণে সড়কের প্রশস্তকরণ প্রকল্পের কাজ আটকে গেছে।
প্রতিনিধি দলের প্রধান সাংসদ রেজওয়ান আহম্মেদ বলেন, এ মহাসড়কের সংস্কার কাজ এক মাসের মধ্যে শুরু হবে। যে অবস্থায় রয়েছে, সেই অবস্থায় সড়কের নির্মাণ করা হবে।
এদিকে দুপুরে যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক চার লেন করার দাবিতে স্থলবন্দর সংলগ্ন সড়কের দুই পাশে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন, বন্দর ব্যবহারকারী ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
প্রসঙ্গত, যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক পুনর্নির্মাণের জন্য ৩২৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয় সরকার। সড়কের দুই পাশের গাছ কেটে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত হয়। তখন যশোরের মানুষ গাছ কাটা ও গাছ রাখার প্রশ্নে দুই অংশে বিভক্ত হয়ে যায়। সম্প্রসারণ কাজ শুরু হবে এমন সময় গাছ কাটার বিপক্ষে জনমত তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত ছয় মাসের জন্য গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশনা দেন। ফলে মহাসড়কটির সম্প্রসারণসহ নির্মাণকাজ ঝুলে যায়।
সাংসদ রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিকের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধি দলের সদস্য সাংসদ এ কে এম এ আওয়াল, নাজমুল হক প্রধান, মনিরুল ইসলাম ও শেখ আফিল উদ্দিন।
মতবিনিময় সভায় ব্যবসায়ীরা বলেন, যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক দুই লেন থেকে চার বা ছয় লেনে উন্নতি করা এখন সময়ের দাবি। দেশের বৃহত্তম স্থল বন্দর বেনাপোলে। সিংহভাগ আমদানি-রপ্তানি হয় এ মহাসড়ক দিয়ে। সড়কের দুই পাশের গাছ কেটে হোক, আর না কেটে হোক সড়কটি ছয় লেনে প্রশস্ত করে পুনর্নির্মাণ কতে হবে। জাতীয় অর্থনৈতিক নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সড়কটি সম্প্রসারণ প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। কিন্তু এক শ্রেণির মানুষ গাছ না কাটার দাবি তুলেছে। যে কারণে সড়কের প্রশস্তকরণ প্রকল্পের কাজ আটকে গেছে।
প্রতিনিধি দলের প্রধান সাংসদ রেজওয়ান আহম্মেদ বলেন, এ মহাসড়কের সংস্কার কাজ এক মাসের মধ্যে শুরু হবে। যে অবস্থায় রয়েছে, সেই অবস্থায় সড়কের নির্মাণ করা হবে।
এদিকে দুপুরে যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক চার লেন করার দাবিতে স্থলবন্দর সংলগ্ন সড়কের দুই পাশে মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন, বন্দর ব্যবহারকারী ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
প্রসঙ্গত, যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক পুনর্নির্মাণের জন্য ৩২৯ কোটি টাকার একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয় সরকার। সড়কের দুই পাশের গাছ কেটে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত হয়। তখন যশোরের মানুষ গাছ কাটা ও গাছ রাখার প্রশ্নে দুই অংশে বিভক্ত হয়ে যায়। সম্প্রসারণ কাজ শুরু হবে এমন সময় গাছ কাটার বিপক্ষে জনমত তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত ছয় মাসের জন্য গাছ কাটা বন্ধের নির্দেশনা দেন। ফলে মহাসড়কটির সম্প্রসারণসহ নির্মাণকাজ ঝুলে যায়।





